Al-Israa • BN-TAFSEER-IBN-E-KASEER
﴿ قُل لَّوْ أَنتُمْ تَمْلِكُونَ خَزَآئِنَ رَحْمَةِ رَبِّىٓ إِذًۭا لَّأَمْسَكْتُمْ خَشْيَةَ ٱلْإِنفَاقِ ۚ وَكَانَ ٱلْإِنسَٰنُ قَتُورًۭا ﴾
“Say: "If you were to own' all the treasure-houses of my Sustainer's bounty, lo! you would still try to hold on [to them] tightly for fear of spending [too much]: for man has always been avaricious [whereas God is limitless in His bounty].”
এখানে আল্লাহ তাআলা মানব প্রকৃতির অভ্যাস বর্ণনা করছেন যে, মানুষ যদি আল্লাহ তাআলার রহমত বা দয়ার ভাণ্ডারেরও অধিকারী হয়ে যেতো, যা কখনো কিছুই কম হবার নয়, তবুও খরচ হয়ে যাবে এই ভয়ে তারা তা ধরে রাখতো। যেমন অন্য আয়াতে রয়েছেঃ “যদি তারা রাজ্যের কোন অংশের মালিক হয়ে যায় তবে তারা কাউকে এক কানা কড়িও দিবে না। এটাই হচ্ছে মানব প্রকৃতি। তবে হাঁ, আল্লাহর পক্ষ থেকে যারা হিদায়াত প্রাপ্ত হয় এবং উত্তম তাওফীক লাভ করে তারা এই বদ অভ্যাসকে ঘৃণা করে। তারা দানশীল হয় এবং অপরের কল্যাণ সাধন করে। “মানুষ বড়ই তাড়াহুড়াকারী ও দুর্বল মনী। কষ্ট ও বিপদের সময় তারা একেবারে মুষড়ে পড়ে এবং আরাম ও সুখের সময় গর্বভরে ফুলে ওঠে। এ সময় তারা কাউকেও কিছুই দান করে না, বরং কার্পণ্য করে। তবে নামাযীরা ব্যতীত (শেষ পর্যন্ত)।” এই ধরনের আয়াত কুরআন কারীমের মধ্যে আরো বহু রয়েছে। এগুলি দ্বারা আল্লাহ তাআ’লরি ফযল ও করম এবং দান ও দয়ার পরিচয় মিলে।সহীহ বুখারী ও সহীহ মুসলিমে বর্ণিত আছে যে, আল্লাহ তাআলার হাত। পরিপূর্ণ রয়েছে। দিন রাত্রির খরচে তা হতে কিছুই কমে যায় না। শুরু থেকে নিয়ে আজ পর্যন্ত তিনি খরচ করে যাচ্ছেন, তথাপি তাঁর ভাণ্ডারের কিছুই কমে নাই।