Al-Anbiyaa • BN-TAFSIR-AHSANUL-BAYAAN
﴿ بَلْ مَتَّعْنَا هَٰٓؤُلَآءِ وَءَابَآءَهُمْ حَتَّىٰ طَالَ عَلَيْهِمُ ٱلْعُمُرُ ۗ أَفَلَا يَرَوْنَ أَنَّا نَأْتِى ٱلْأَرْضَ نَنقُصُهَا مِنْ أَطْرَافِهَآ ۚ أَفَهُمُ ٱلْغَٰلِبُونَ ﴾
“Nay, We have allowed these [sinners] – as [We allowed] their forebears – to enjoy the good things of life for a great length of time: but then – have they never yet seen how We visit the earth [with Our punishment], gradually depriving it of all that is best thereon? Can they, then, [hope to] be the winners?”
বরং আমিই তাদেরকে এবং তাদের পিতৃ-পুরুষদেরকে ভোগ-সম্ভার দান করেছিলাম; অধিকন্তু তাদের আয়ুষ্কালও হয়েছিল দীর্ঘ।[১] তারা কি দেখছে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক হতে সংকুচিত করে আনছি; [২] তবুও কি তারাই বিজয়ী? [৩] [১] যদি তাদের বা তাদের পূর্বপুরুষদের জীবন সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য ও ভোগ-বিলাসে অতিবাহিত হয়, তাহলে কি তারা মনে করে যে, তারা সঠিক পথে আছে এবং ভবিষ্যতেও তাদের কোন কষ্ট হবে না? বরং তাদের ক্ষণস্থায়ী জীবনের সুখ-বিলাস তো আমার 'ঢিল দেওয়া' নীতির অংশবিশেষ। এতে কারো ধোকায় পড়া উচিত নয়।[২] কুফরীর এলাকা দিন দিন সংকুচিত হচ্ছে এবং ইসলামের এলাকা বিস্তৃত হয়ে চলেছে। কুফরীর পায়ের তলা হতে মাটি সরে যাচ্ছে এবং ইসলামের বিজয় বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর মুসলিমরা দেশের পর দেশ জয় করে যাচ্ছে। (অনেকে এই আয়াত ও সূরা রা'দের ১৩:৪১ নং আয়াত দ্বারা পৃথিবীর ভূমিক্ষয় ও তার কিছু অংশ সমুদ্রে নিমজ্জিত হওয়া বুঝেছেন। অল্লাহু আ'লাম। -সম্পাদক) [৩] কুফরীর অনগ্রসরতা ও ইসলামের অগ্রসরতা দেখেও কি কাফেররা মনে করে যে তারাই বিজয়ী? অস্বীকৃতিমূলক প্রশ্ন। অর্থাৎ তারা জয়ী নয়; বরং পরাজিত, বিজয়ী নয়; বরং বিজিত, সম্মানিত নয়; বরং অসম্মান ও অপমান তাদের ভাগ্য।