Ghafir • BN-TAFSIR-AHSANUL-BAYAAN
﴿ ۞ قُلْ إِنِّى نُهِيتُ أَنْ أَعْبُدَ ٱلَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ ٱللَّهِ لَمَّا جَآءَنِىَ ٱلْبَيِّنَٰتُ مِن رَّبِّى وَأُمِرْتُ أَنْ أُسْلِمَ لِرَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ ﴾
“Say: “Since all evidence of the truth has come to me from my Sustainer, I am forbidden to worship [any of] those beings whom you invoke instead of God; and I am bidden to surrender myself to the Sustainer of all the worlds.””
বল, ‘আমার প্রতিপালকের নিকট হতে আমার নিকট সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী আসার পর তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাকে আহবান কর, তার উপাসনা করতে আমাকে নিষেধ করা হয়েছে।[১] আর আমাকে আদেশ করা হয়েছে বিশ্ব-প্রতিপালকের নিকট আত্মসমর্পণ করতে।’[২] [১] চাহে তা পাথরের মূর্তি হোক, নবী, অলী বা কবরে সমাধিস্থ মৃত হোক। সাহায্যের জন্য কাউকেও ডেকো না। তাদের নামে নযর মেনো না ও নজরানা দিয়ো না। তাদের নামে ওযীফা পড়ো না। তাদেরকে ভয় করো না এবং তাদের কাছে কোন কিছুর আশা করো না। কারণ, এগুলো এক-একটি ইবাদত, যা কেবল আল্লাহরই অধিকার। [২] এগুলো বিবেকগ্রাহ্য যুক্তি এবং স্পষ্ট উক্তি ভিত্তিক এমন প্রমাণপুঞ্জ যার দ্বারা আল্লাহর একত্ব অর্থাৎ আল্লাহরই একমাত্র উপাস্য ও প্রতিপালক হওয়ার কথা সাব্যস্ত করে। আর এ কথা কুরআনের বহু স্থানে উল্লেখ করা হয়েছে। ইসলাম অর্থ আত্মসমর্পণ করা, আনুগত্য ও অনুসরণের জন্য নত হওয়া। অর্থাৎ, আমাকে আদেশ করা হয়েছে, যাতে আমি আল্লাহর বিধি-বিধানের সামনে নত হয়ে যাই এবং তা থেকে বিমুখ না হই। পরের আয়াতে আরো কিছু তাওহীদের দলীলাদি বর্ণনা করা হচ্ছে।