At-Taghaabun • BN-TAFSIR-AHSANUL-BAYAAN
﴿ هُوَ ٱلَّذِى خَلَقَكُمْ فَمِنكُمْ كَافِرٌۭ وَمِنكُم مُّؤْمِنٌۭ ۚ وَٱللَّهُ بِمَا تَعْمَلُونَ بَصِيرٌ ﴾
“He it is who has created you: and among you are such as deny this truth, and among you are such as believe [in it]. And God sees all that you do.”
তিনিই তোমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, অতঃপর তোমাদের মধ্যে কেউ হয় অবিশ্বাসী এবং কেউ বিশ্বাসী। আর তোমরা যা কর, আল্লাহ তার সম্যক দ্রষ্টা। [১] [১] অর্থাৎ, মানুষের জন্য ভাল-মন্দ, নেকী-বদী এবং কুফরী ও ঈমানের রাস্তাসমূহ পরিক্ককার বাতলে দেওয়ার পর মহান আল্লাহ মানুষকে ইচ্ছা ও এখতিয়ারের যে স্বাধীনতা দিয়েছেন, তারই ভিত্তিতে কেউ কুফরী এবং কেউ ঈমানের পথ অবলম্বন করেছে। তিনি কাউকে কোন কিছুর উপর বাধ্য করেননি। তিনি বাধ্য করলে, কোন ব্যক্তি কুফরী ও অবাধ্যতার রাস্তা অবলম্বন করতে সক্ষম হত না। কিন্তু এইভাবে মানুষকে পরীক্ষা করা সম্ভব হত না। অথচ আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা হল মানুষকে পরীক্ষা করা। ﴿الَّذِي خَلَقَ الْمَوْتَ وَالْحَيَاةَ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا﴾ (الملك: ২) অতএব যেমন কাফেরের স্রষ্টা আল্লাহ, তেমনি কুফরীর স্রষ্টাও তিনিই। কিন্তু এই কুফরী এই কাফেরের নিজের উপার্জিত। সে স্বেচ্ছায় তা অবলম্বন করেছে। অনুরূপ মু'মিন ও ঈমানের স্রষ্টা আল্লাহই, কিন্তু ঈমান এই মু'মিনের নিজের উপার্জন করা জিনিস। সে স্বেচ্ছায় এটা অবলম্বন করছে। আর এই উপার্জনের ভিত্তিতে উভয়কেই তাদের আমল অনুযায়ী বদলাও দেওয়া হবে। কারণ, তিনি সবারই আমল দেখছেন।